October 19, 2026, 1:36 am
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ঢাকায় দুটি স্থানে গণমিছিল শুরু করেছে বিএনপি। শুক্রবার (১৮ আগস্ট) বিকাল চারটায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ ট্রাকস্টেন্ডের সামনে থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির গণমিছিলটি শুারু হয়েছে। এটি কমলাপুর স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে খিলগাঁও চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হবে।
অন্যদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির গণমিছিলটি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে গুলশান-১ নম্বর থেকে শুরু হয়েছে। এটি বক্ষব্যাধী হাসপাতাল-মহাখালী ওয়্যারলেস গেট-তিতুমীর কলেজ-মহাখালী কাঁচাবাজার-মহাখালী বাসস্ট্যান্ড (টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড) গিয়ে শেষ হবে।
সব মহানগরেরও গণমিছিল করছে বিএনপি। ঢাকায় দলটির মিত্র জোট ও দলগুলোও গণমিছিল করছে।
দয়াগঞ্জে গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে মির্জা ফখরুল যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ‘টম ল্যান্টস হিউম্যান রাইটস কমিশন’ আয়োজিত ভার্চুয়াল শুনানির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা হচ্ছে। হত্যা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর বিক্ষোভ প্রায়ই দমনপীড়নের শিকার হচ্ছে। সুষ্ঠ নির্বাচনের পথ বন্ধ করা হচ্ছে। এজন্য তারা আরও নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর বললে হবে না। কোনো দিকেই আপনাদের পালাবার পথ নাই। ভালই ভালই বিদায় হোন। জনগণ জানে কিভাবে সরাতে হয়।’
এ ছাড়া নতুন পেনশন স্কিম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই স্কিম মানুষের টাকা চুরির আরেক ফন্দি। তারা এই টাকা চুরি করে নির্বাচন করতে চায়। তিনি এসব না করে সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানান।
স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘একটি কথাই বলা যায়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। তার অধীনে আমরা কোনো নির্বাচনে যাব না। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আমাদেরই উদ্ধার করে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ভারত যদি আবার ১৪ সালের মতো শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে চায় তবে চ্যালেঞ্জ এদেশের ১৮ কোটি জনগণ এবার ছাড়বে না।’